Staff Reporter

রাশিয়ার আরও এক শহর দখল ওয়াগনার বাহিনীর! একদা অনুগামীই এখন পুতিনের মাথাব্যথা

প্রিগোজিন রংপুরের অবস্থান নেই, তবে পুতিনের ব্যবসায়ী প্রিগোজিন গত দুই বছরের মধ্যে সংগঠিতভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সহযোগী হিসেবে ইউক্রেনের জুড়ে অংশগ্রহণ করেছেন। ইউক্রেনের সীমান্ত অঞ্চল ছাড়িয়ে এবার রাশিয়ার বড় অভিযান চালাল বিদ্রোহী ওয়াগনার বাহিনী। রশিয়ার সম্পদকুব অলিগার্চ ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের মালিকানাধীন যোদ্ধাবাহিনী শনিবার ইউক্রেনের সীমান্তের অদূরে পশ্চিম রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শহর ভোরোনেজ়ে দখল করেছেন বলে কয়েকটি পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দাবি করছে। আগের প্রয়াত শুক্রবার ওয়াগনার রোস্তভ-অন-ডন শহরে দখল করেছেন। এই পরিস্থিতিতে শনিবার পুতিন রাশিয়ার জন্যে বিপদজনক হিসেবে পরিচিত প্রিগোজিনের যোদ্ধাবাহিনী তাঁর সেনাবাহিনী দক্ষিণ রাশিয়ায় অত্যাচার চালাচ্ছে বলে বিবেচিত করেছেন। পুতিন জাতীয় ভাষণে বলেছেন, “প্রিগোজিন একজন আতঙ্কিতকর ব্যক্তি। তার সেনাবাহিনী দক্ষিণ রাশিয়ায় অত্যাচার চালাচ্ছে। আমরা উচিত উত্তর দিব।”

ওয়াগনার প্রিগোজিন আড়িও-বার্তায় বলেছেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনী পশ্চিম রাশিয়ার ভূখণ্ডে বড় অভিযান চালাচ্ছে এবং তাঁরা ইউক্রেনের সীমান্তের নিকটবর্তী ভোরোনেজ শহরে প্রবেশ করেছেন। রাশিয়ার প্রিগোজিনের যোদ্ধাবাহিনী পশ্চিমি মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে অনুযায়ী, শনিবার ওয়াগনার সীমান্তে অবস্থিত রোস্তভ-অন-ডন শহরে ওয়াগনার সামরিক বাহিনী প্রবেশ করেছে। এই ঘটনার পূর্বে পুতিন জাতীয় ভাষণে বলেছেন, “প্রিগোজিন একজন ভয়ানক ব্যক্তি। তার সেনাবাহিনী দক্ষিণ রাশিয়ায় অত্যাচার চালাচ্ছে। আমরা উচিত উত্তর দিব।”

এই সংঘর্ষে ইউক্রেনের জনগণের অভিযোগে বিশ্বসম্প্রদায়ের দলিলে সমর্থিত হয়েছে। বিশ্বসম্প্রদায়ের সহযোগী সংগঠন প্রিগোজিনের কার্যালয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যাতে বিশ্বের জনগণের দিকে কর্তৃপক্ষের দ্বারা বাধা ও মানহানির উপর দৃষ্টিকোণ প্রতিফলিত হয়। এছাড়াও বিশ্বসম্প্রদায়ের কার্যালয়ের নেতৃত্বে পূর্ব করগিন দেশগুলির পরবর্তীকালের প্রশাসনের জন্য একটি উচ্চস্তরের সভা আয়োজন করা হবে।

Advertisement

এই সংঘর্ষ সমাপ্তি পাওয়ার আগে বিশ্বের রাজনৈতিক নেতৃদলগুলি পরস্পরের সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করে ইউক্রেনের মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে। বিশ্বের বৃহত্তর দেশগুলির প্রধানমন্ত্রীরা এই সংঘর্ষের সমাধানের পথ খুঁজে আছেন এবং সময়মতো পুতিনের প্রার্থনা করেছেন যাতে এই সংঘর্ষে মানবিক ও মানবাধিকারের সংরক্ষণ ও সম্প্রদায়ের বিপণনে আরও উন্নতি হয়।

প্রিগোজিন রংপুরের প্রথম উদ্ভাবন একটি প্রকল্প ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের সম্পর্কে লোকজনের উদ্ভাবন ও উন্নয়ন। প্রজন্মের শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবিধানিক, আচার্যপ্রার্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার গুরুত্ব ও বৈচিত্রতা সংরক্ষণ করা হতো এবং লোকজনের মধ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রচারিত হতো। প্রিগোজিনের এই প্রকল্প দ্বারা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ ও উন্নয়নে একটি আলোকপাথ প্রদান করা হতো। এটি একটি সময়সীমান্ত প্রকল্প ছিল, যা মানুষের সংগঠনমূলক চিন্তা ও সৃজনশীলতা জাগ্রত করেছে।

এখন, প্রিগোজিন একটি জাতীয় পরিচালিত সংগঠন হিসাবে চালিত হয়েছে, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকল্প ও অভিযান চালিয়ে আসছে। প্রিগোজিনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রচার ও উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান, কার্যক্রম, শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন করা হয়। প্রিগোজিনের লক্ষ্য হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক উন্নয়ন সমর্থন করা।

Advertisement

প্রিগোজিনের অত্যাধিক প্রচার ও উন্নয়নের জন্য বাংলা ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নের সাথে সাথে আমরা কর্মসূচির প্রাধান্য প্রদান করব। প্রিগোজিন বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রয়াস, যা বাংলা ভাষার ও সাহিত্যের উন্নয়ন ও প্রচারণায় অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।

প্রিগোজিন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নের জন্য নানা কার্যক্রম, অনুষ্ঠান, শিল্প, সাহিত্যিক আয়োজন করে থাকে। প্রিগোজিনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক, আচার্যপ্রার্য ও সাংবিধানিক ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠিত ও সুস্থ উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।

বাংলা ভাষার গুরুত্ব ও মর্যাদা সংরক্ষণের পাশাপাশি, প্রিগোজিনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতি, সাহিত্যিকতা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও প্রচারে মানবিকতার বায়ু সৃষ্টি করব। প্রিগোজিন প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী একটি সংগঠন, যা বাংলাদেশের প্রচলিত ও সংরক্ষিত ভাষা ও সাহিত্যের অনুষ্ঠান, কর্মকাণ্ড, আয়োজন ও প্রচারের উদ্দেশ্যে কাজ করছে।

Advertisement

আরও পড়ুন

Latest articles

Leave a Comment

%d bloggers like this: